ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে এখনই দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বিদ্যুৎ ভবনে গতকাল এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, জ্বালানি তেল সরবরাহে কোনো সংকট নেই। আর খোলাবাজারে এলএনজির দাম বাড়ছে কিনা সেদিকেও তারা নজর রাখছেন।
লাফার্জহোলসিম সিমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে জালালাবাদ গ্যাস বিতরণ কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বাড়লেও দেশের বাজারে এখন এর প্রভাব পড়বে না। এর মধ্যেও একটি জ্বালানি তেলের জাহাজ বন্দরে এসেছে। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল মজুদ রয়েছে।’
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘যুদ্ধ কতদিন চলবে, সরবরাহ কোন পথে আসবে—এসবের ওপর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নির্ভর করে। স্বল্পমেয়াদে জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। আমাদের সুবিধা হচ্ছে, সরবরাহকারীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে পণ্যটি নিয়ে আসেন। জ্বালানি তেলের প্রধান সোর্স মধ্যপ্রাচ্য হলেও অনেক সরবরাহকারী সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার মার্কেট থেকেও সরবরাহ করেন। এজন্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ নেই।’
‘ভর্তুকি বাড়ানো হবে না, দামও বাড়ানো হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে ঘাটতি সমন্বয় করা হবে কীভাবে’—সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের কিছু কৌশল রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে কিছু অর্থ রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেখান থেকে সমন্বয় করা হবে।’
এর আগে অনুষ্ঠানে লাফার্জহোলসিম সিমেন্টের সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি গ্যাস সরবরাহ চুক্তি করা হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্য অনুাযায়ী গ্যাস পাবে লাফার্জহোলসিম। এতদিন তাদের গ্যাসের দাম ছিল চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত।